রাজশাহীরাজশাহীর সংবাদ

সেই আলোচিত ওসি এমরান চন্দ্রিমা থানায় যোগদান

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কিছুদিন আগেই আর এম পির চন্দ্রিমা থানায় নবাগত ওসি হিসেবে যোগ দেন এমরান হোসেন। তিনি ঢাকার সি আইডি থেকে সরাসরি আর এম পিতে পদায়ন করেন।

আর এম পির পরিক্ষিত পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক তাকে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে প্রেরন করেন। তিনি চন্দ্রিমা থানায় যোগদান করেই প্রথমে অফিসারদের সাথে গড়ে তুলেন বন্ধুত্ব আচরণ। এই আচরনের সাথে তিনি কঠোর নির্দেশনাদেন মাদক আর জুয়ার বিরুদ্ধে।

তিনি প্রকাশ্যেই বলেন, এই থানার কোন পুলিশ সদস্য যদি মাদক অথবা জুয়ার সাথে জড়িয়ে থাকেন তাহলে আমার নিকট ছাড় পাবেন না। তিনি মাত্র তিন মাসের মধ্যেই চন্দ্রিমা থানা এলাকার জুয়াড়ু ও মাদক ব্যবসায়িদের নিকট একটা আতংক হয়ে উঠেছেন। কয়েকজন বড় ধরনের মাদক ব্যবসায়ি ও জুয়াড়ুর দল এরই মাঝে গ্রেপ্তার হয়েছে।

চন্দ্রিমা থানার সুত্র মতে এই সকল অভিযানে বেশীরভাগ তিনি নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। যেন অপরাধি কোন মাধ্যমে টের না পায় সেই কারনে তিনি বিশেষ অভিযানে নিজেই উপস্থিত থাকেন। থানার ভেতরে ডিউটি অফিসারের চেয়ারের পাশে স্পষ্ট ভাবে লিখে দিয়েছেন মামলা বা জিডি করতে কোন টাকা লাগেনা। তিনি নিজের দায়িত্ব পালন শেষে ডিউটি অফিসারের চেয়ারে বসে সকল খোঁজ খবর নেন।

চন্দ্রিমা থানার একটি সুত্র বলেন, প্রতিদিন তিনি ভিন্ন ভাবেই খবর নেন কোন জটিল বিষয় থাকলে। গভীর রাতে তিনি থানা এলাকার গুরুত্বপুর্ণ এলাকা গুলোতে গোপনেই টহল দিয়ে থাকেন। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক একজন গনমাধ্যম কর্মী জানান, পূর্বের ওসি থাকা কালিন সময়ে একটি জুয়ার বিষয় নিয়ে আমি অভিযোগ করি তিনি অভিযোগের উত্তরে বলেছিলেন সিনিয়র অফিসার বললে আমি দেখব।

সেই গনমাধ্যম কর্মী বলেন একটি জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান করতে যদি সিনিয়র অফিসারের অনুমতি লাগে তাহলে সেই ওসির দায়িত্বে সেই থানা এলাকার মানুষ কত টুকু নিরাপদ। এখন সেই জুয়ার আসরগুলো ওসি এমরানের নাম শুনে হাওয়া হয়ে গেছে। আর এম পির একটি সুত্র জানায় ওসি এমরান হোসেন দেখতে সাদা সিদে মনে হলেও অপরাধিদের জন্য একটা ফ্যাক্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

সুত্রটি বলেন, চন্দ্রিমা থানা গঠিত হয়ার পর যারা ওসির দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের মধ্যে এমরান হোসেন অন্যতম বলে প্রাথমিক ভাবে আমাদের ধারনা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চন্দ্রিমা থানার একজন উপ পরিদর্শক (এস আই) বলেন, যে কোন ক্রাইম কিভাবে উদঘাটন করতে হয় তা তিনি জানেন। তার কৌশল দেখে আমরা মাঝে মধ্যে আলোচনা করি তিনি সত্যিই পুলিশের গৌরব। তার চৌকসতা পুলিশের ভাব মুর্তি আরো উজ্জ্বল করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় সব থেকে জুয়া ও খুচরা মাদক ক্রয় বিক্রয় হত আর সেই এলাকায় এখন দুই অপরাধ প্রবনতা প্রায় বন্ধের পথে। অপরাধিরা স্থান ত্যাগ করে অনত্র স্থান বেছে নিচ্ছেন এর মুলকারণ ওসি এমরান হোসেন। এমন ওসি চন্দ্রিমা থানায় প্রেরন করায় আর এম পির পুলিশ কমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সুশীল সমাজ।

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button