দূর্গাপুররাজশাহীরাজশাহীর সংবাদ

ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ ফিরোজ আহমেদ

দূর্গাপুর প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার আগামী জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নৌকার মাঝি হতে চান সাবেক উপজেলা সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক, জনপ্রিয় তরুণ এবং উদীয়মান যুবলীগ নেতা শেখ ফিরোজ আহমেদ।

নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে জানা গেছে। তৃণমূলের নেতা ফিরোজকে চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য চলছে মাইকিং, প্রচারণা, গণসংযোগ। ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডের সব শ্রেণী পেশার মানুষেরা একতাবদ্ধ হয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন মতবিনিময় সভা। এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও তার পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। ফিরোজের সুদীর্ঘ রাজনীতির জীবনে আওয়ামী লীগের জন্য সবসময় ছিলেন নিবেদিত প্রাণ, বহু ত্যাগের মধ্যেই ধরে রেখেছেন ওই তৃণমূলের নেতৃত্ব, সুশৃংখল আওয়ামী লীগ গড়ার অন্যতম কারিগর বলা যায় তরুণ উদীয়মান এই নেতাকে ।

আওয়ামী পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেতা ও তার পরিবারকে বহু নির্যাতন সইতে হয়েছে শুধু আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে। তার পিতা আব্দুল মালেক ইউপি মেম্বার ছিলেন। ২০০১ সালে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপি, জামাত জোটের রোষানলে পড়ে একাধিক বার হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক আহত হন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে মৃত্যুবরন করেন। তৎকালীন বিএনপি ক্যাডারদের অত্যাচারে নির্বাচিত মেম্বার হয়েও তিনি পরিষদে উঠতে পারতেন না। শেখ মুজিবের প্রচন্ড ভক্ত থাকায় ছেলের নাম রাখেন শেখ ফিরোজ। এমন নির্যাতিত পরিবার থেকে উঠে এসেছে তরুণ এই নেতা। বিগত নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো নৌকার প্রার্থীর প্রতি।

শেখ ফিরোজের সম্পর্কে হেলাল বলেন, ফিরোজ অত্যান্ত ভদ্র ভালো ছেলে। ওর বাবা আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মী ছিলেন। বর্তমানে নৌকার টিকিট নেওয়ার জন্য যারা ঘুরছেন তারা অনেকেই হাইব্রিড নেতা, শুধু সুবিধাভোগী। তাদের না দিতে একেই মনোনয়ন দেওয়া উচিৎ।

বিপ্লব জানান, জনবান্ধব নেতা ফিরোজ আওয়ামী লীগের আদর্শের রাজনীতি করেন। আমার দেখা তিনিই সবথেকে উপযোগী প্রার্থী। হাইব্রিডরা মাঠে না পেরে অপপ্রচারে নেমেছেন, মনে হয়না তাতে কোনো কাজ হবে। জহুরা বেগম জানান, ফিরোজ খুবই জনদরদী মানুষ। কেউ বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। আমি একবার খুবই অসুস্থ হয়েছিলাম। সে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে। ওর মতো মানসিকতার মানুষ খুবই কম রয়েছে। এমন মানুষকেই নেতা বানানো উচিৎ।

শেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার প্রাণের সংগঠন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শ বুকে ধারণ করে দলের সুখে দুঃখে সবসময় পাশে থেকেছি। জননেত্রী, শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে সবসময় কাজ করে চলেছি। আমি আশাবাদী, নৌকার মনোনয়ন পেলে নৌকার বিজয় উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

সংগঠন ও এলাকার মানুষদের জন্য ভালো কিছু করতে পারবো। মনোনয়ন না পেলেও যে পাবে তার পক্ষে মাঠে থাকবো। তবে দলের কাছে অনুরোধ থাকবে হাইব্রিডদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে। তারা গিরগিটির মতো রং পাল্টানোর মানুষ।

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button