রাজশাহীরাজশাহীর সংবাদ

এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের উন্নয়নের ৩য় বর্ষের শুভেচ্ছা জানালো রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পুরোনগর বাসির পাশে থেকে যিনি একবারো ক্লান্ত হননা – তিনি হলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সু যোগ্য সন্তান রাজশাহীর মানুষের প্রিয় ব্যক্তিত্ব নগর পিতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি রাজশাহী বাসিকে ভালোবেসে পড়ে রয়েছেন তার জন্মনগরী রাজশাহীতে। জাতীয় নেতার সুযোগ্য সন্তান হয়ে তিনি ক্ষমতাসিন দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিতে পারতেন। দখল করতে পারতেন জাতীয় সংসদের গুরুত্বপুর্ণ মন্ত্রীরস্থান।

কিন্তু এই নির্লোভী মানুষটি রাজশাহীর মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে রাত দিন ছুটছেন একটার পর একটা উন্নয়ন নিয়ে। দেশের প্রথম শ্রেনির কয়েকটি পত্রিকায় এই সুনাম ধন্য ব্যক্তির কর্মকান্ড নিয়ে কয়েকটি সংবাদ ছাপা হয়েছে এরই মাঝে। প্রকাশ হয়েছে উন্নয়নের একাংশের চিত্র। ২০০৮ সালে ব্যপক ভোটে প্রথম বারের মত রাসিকের মেয়র নির্বাচিত হন এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি প্রথম বার মেয়র নির্বাচিত হয়েই রাজশাহী মহানগরীকে নিয়ে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহন করেন। জোট সরকারের সাজানো নাটকীয়তটা শেষ করে তিনি কয়েক ডজন উন্নয়নের ফাইল তৈরি করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সহ যোগীতা চান। সেখানে দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাজশাহীর উন্নয়নে সকল সহযোগীতা করতে থাকেন।

২০১৩ সালের নির্বাচনে রাজশাহীর প্রদীপ এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে পরিকল্পনা করে জামাত বি এন পি সিন্ডিকেট করে রাসিকের অবিভাবক থেকে সরিয়েদেন। জোট সরকারের কালো অর্থের নিকট হেরে গেলেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা এত পরিমানে পেতে থাকেন যে অলিখিত ভাবে তিনি রাজশাহীর উন্নয়ন ঘটাতে থাকেন। সাধারণ মানুষরা বুঝতে পারেন এই রাজশাহীতে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখতে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের কোন বিকল্প নেই। ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে সাধারণ ভোটার আবারো দেখিয়ে দেন এই রাজশাহীর মানুষের একমাত্র অবিভাবক হয়ার যোগ্যতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন রাখেন।

তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে নেমে পড়েন তার অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করতে। সিটি কর্পোরেশন যেন মানুষের আলোচনার খরাখ হয়ে উঠেছে। দিন মজুর দরিদ্ররা দলবল নির্বীশেষে প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে মেয়র লিটনের দীর্ঘায়ু কামনা করছেন। পরের নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়ে এরই মাঝে সফলতার ৩ বছর পার করলেন। রাসিকের ভেতরের ভোটারদের সাথে রাসিকের বাহিরে থেকেও সাধারণ মানুষরা আসছেন এমন হাস্য উজ্জ্বল উন্নয়নের কারিগর কে দেখতে। চার দিন পুর্বে রাসিকের সফলতার তিন বছর পুর্ণ হলে এমন উন্নয়নের কারিগরকে বিভিন্নভাবে শুভেচ্ছা জানান সর্বস্তরের মানুষ। রাসিকের সুত্র মতে গত দুই বছরে যে পরিমান উন্নয়নের কাজ হাতে নিয়েছেন রাসিক তা বাস্তবায়ন হলে রাজশাহীকে অন্য রুপে চিনবে বিশ্ব।

এই নির্লোভী মানুষের কারনে রাজশাহী দেশের বাহিরেও মাথা জাগিয়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রীর মহৎ উদ্যোগ যেন প্রতিটি স্থানে রুপ পায় এই নিয়ে মেয়র লিটনের পথ চলা। মাত্র ৫ বছর আগে রাজশাহীতে আসা জয়পুর হাটের নিজাম যেন রাজশাহীকে চিনতে পারছেন না। তিনি গনমাধ্যম কর্মীদের জানান এ যেন ছবিতে দেখা সিঙ্গাপুরের ন্যায় রুপ নিয়েছে রাজশাহী। তিনি রাজশাহীর মেয়রকে ধন্যবাদ জানান এমন পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার জন্য। নগরীর কাশিয়া ডাঙ্গা, রেলগেইট, বিমান চত্তর, ঘোড়া চত্তর, নবনির্মিত একাধিক ওভারব্রীজ যেন নগরীকে উন্নত সাজে সাজিয়েছে। এ সকল অবদানের একমাত্র কারিগর নগর পিতা লিটন। নীর অহংকারি মানুষটির সাদা জীবন যেন নগর বাসিকে একাধিক বার মুগ্ধ করে।

গতকাল ৯ অক্টোবর রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ দেখা করেন নগর পিতার সাথে। তার হাতে তুলেদেন ৩ বছরের সফলতার স্বারক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাফিকুর রহমান লালু, সিনিয়র সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সহ সভাপতি নুরজামাল ইসলাম, সহ সভাপতি বাবর মোল্লা, এশিয়ান টিভির বারিউল আলম শান্ত, প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য হুমায়ন কবির, দৈনিক শানসাইনের ফায়সাল আহম্মেদ রাতুল, দৈনিক ভোরের চেতনার বিশেষ প্রতিনিধি রেজাউল করিম, সংবাদ চলমানের মোমিন ইকবাল।

এ সময় মাদক ব্যবসায়ী রাব্বানী ও তার দলের দ্বারা  আহত সাংবাদিক ইমদাদুল হকের উপর হামলা নিয়ে কথা বলেন। মডেল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানান রাজশাহী মাদক নির্মুল ২১ কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের উপর যে হামলা হয়েছে তা পুরো সাংবাদিক সমাজ কে ছোট করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীর দল মাদক বিরোধী সংগঠনের সভাপতির উপর হামলা করবে এটি অত্যন্ত দুঃখ জনক। মাননীয় মেয়রের পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক বৃন্দ।

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button