মোহনপুররাজশাহীরাজশাহীর সংবাদ

রাজশাহীর সেই চপল কে আটক করতে রাজপাড়া থানা পুলিশের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোহনপুর উপজেলার বিদিরপুরের সেই চপল প্রতারক কে গ্রেপ্তার করতে কয়েকটি স্থানে হানা দিয়েছে আর এম পির রাজপাড়া থানার পুলিশ।

রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) সজিব মুঠো ফোনে গনমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বাগমারা উপজেলার মোগাইপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ আল আসাদের নিকট সাংবাদিক পরিচয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন বিদিরপুরের চপল ও তার সংগীরা। এই নিয়ে প্রধান শিক্ষক হাফিজ আল আসাদ সাংবাদিক সম্মেলন শেষে ৯ আগষ্ট বাগমারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সেই মামলায় অন্য আসামীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সাংবাদিক পরিচয়দান কারি চপল কৌশলে আদালত থেকে জামিন নেন। ১৭ আগস্ট হাফিজ আল আসাদ মাস্টার আদালত থেকে বাড়ি ফেরার সময় রাজপাড়া থানা এলাকার ভেড়িপাড়া মোড়ের পাশে আসা মাত্রই চপল ও তার বাহিনী হাফিজ মাস্টারের উপর আতঙ্কিত হামলা চালায় ও বেধড়ক মারধর করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলা কারিরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা হাফিজ আল আসাদ মাস্টার কে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। হাফিজ আল আসাদ মাস্টার বাদি হয়ে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং- ২৯২ তাং ২০- ৮-২০২১- মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা জানান ঘটনার সত্যতা যাচাই করেই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে আর সেই কারনে বিলম্ব হয়েছে।

রাজপাড়া থানা সূত্রে জানা যায়, মামলা রেকর্ডের পর থেকেই আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সূত্রটি বলেন আসামী চপলের বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলার সন্ধান মিলেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংগঠনের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ রয়েছে এই চপলের বিরুদ্ধে। এরই মাঝে চপলের নামে রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় দুই ডজন জিডিসহ মামলার সন্ধান মিলেছে পুলিশের হাতে। রাজশাহী আদালতের একজন আইনজীবি জানান চপলের বিরুদ্ধে রাজশাহী শহর সহ মোহনপুর উপজেলা বাগমারা উপজেলায় ভয়ংকর সব অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন একজন প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা করে তিনি পুরো শিক্ষার ভাব মুর্তি নষ্ট করেছে। মোহনপুরের মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন মুঠো ফোনে বলেন কিছুদিন পুর্বে আমার নিকট এই চপল অর্থ দাবি করেছিল সেটি আমি দিতে না চাওয়ায় আমার নামে মিথ্যে বদনাম রটাতে শুরু করে এক সময় আদালতে আমার নামে একটি মারধরের মিথ্যে মামলা দায়ের করেন পরে তদন্তে মিথ্যে প্রমান হয়ে আমি অব্যহতি পাই।

তিনি বলেন আমার পাশের গ্রামে এই চপল বিয়ে করে সেখানেও প্রতারণা করে স্ত্রী সন্তান রেখে চলেযায়। তিনি আরও বলেন, পরে নাকি আবার বিয়ে করেছে বাগমারায়। চপলের একাধিক প্রতারণার উদহারণ দেন আল আমিন চেয়ারম্যান। রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাফিকুর রহমান লালু বলেন এই ধরনের প্রতারকের শাস্তি হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন পুর্বেও এই প্রতারকের নানা অপকর্ম আমরা গনমাধ্যমে প্রকাশ করেছি।

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button